‘তিন সিটিতে কারচুপির চেষ্টা হলে দাঁতভাঙ্গা জবাব’

0
7

অনলাইন ডেস্ক: ভোলার আলো.কম,

আসন্ন তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কারচুপির চেষ্টা করলে জনগণ তার দাঁতভাঙা জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, ‘প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে খুলনা-গাজীপুরসহ প্রায় সব নির্বাচনে সরকারদলীয় ক্যাডাররা জনগণকে রায় প্রয়োগ করতে দেয়নি। এভাবে কোনো সভ্য রাষ্ট্র চলতে পারে না।’ এজন্য আগামী তিন সিটি নির্বাচনে ‘ভোট ডাকাত’দের রুখে দিয়ে ভোটাধিকার আদায়ে জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সোমবার গুলশানের একটি হোটেলে রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনী প্রচারণায় গঠিত ২০ দলের সমন্বয় কমিটির সভায় তিনি এ কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নজরুল ইসলাম বলেন, সরকার একের পর এক প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষের মধ্যে শঙ্কা তৈরি করে রেখেছে, দেশের সাধারণ মানুষ এখন ভোটকেন্দ্রে যেতে ভয় পায়। তাই ৩০ জুলাই একটি স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের সাধারণ জনগণের নির্বাচন নিয়ে আতঙ্ক কাটাতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ব্যত্যয় হলে জনগণের কাঠগড়ায় সব নির্বাচন কমিশনারকে দাঁড়াতে হবে।

সভায় কুষ্টিয়া আদালতে মানহানির মামলায় হাজিরা দিয়ে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হওয়া দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানান তিনি।

নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বিচারক জামিন দেয়ার পর সরকারদলীয় নেতাকর্মীরা কুষ্টিয়া আদালত প্রাঙ্গণে মাহমুদুর রহমানকে ‘ঘেরাও’ করে রাখে দীর্ঘসময়। তারপর যখন তিনি আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করতে গাড়িতে উঠেন তখন তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা, রক্তাক্ত করা হয়। সেই সময় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, দেশটা সত্যি একটি পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে।’

নজরুল ইসলাম বলেন, ‘দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারীর বাহিনীর উপস্থিতিতে আদালত প্রাঙ্গণে মাহমুদুর রহমানের উপর হামলা দেশের বিচার বিভাগকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এভাবে কোনো সভ্য রাষ্ট্র চলতে পারে না। পরিবর্তন এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হচ্ছে।’

সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও এনডিপি চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা’র সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব ও জাগপা সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, এলডিপি মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি, বিএমএল সভাপতি এ.এইচ.এম কামরুজ্জামান খান, এলডিপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, ডিএল সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, বিজেপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আবদুল মতিন সাউদ, পিপলস লীগ মহাসচিব সৈয়দ মাহবুব হোসেন, লেবার পার্টি (একাংশ) মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদী, ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদ খান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মুফতি গোলাম মুহিউদ্দিন ইকরাম, খেলাফত মজলিশ সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আহমেদ আলী কাসেমী, এনডিপি যুগ্ম মহাসচিব রাজু আহমেদ প্রমুখ।

(হামিদুর রহমান, ২৩জুলাই-২০১৮ই)

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here