কেন্দ্রীয় কমিটির আ.লীগ সদস্য যখন ইটের কাজ করছেন

0
113

ডেস্ক: ভোলার আলো.কম,

আমরা একটি বিষয় অবগত হিংসা অহংকার একটি পতনের মূল। মানুষ সামাজিক জীব, প্রতিনিয়ত কত কাজের মধ্যে বেচেঁ থাকতে হয়। সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকে চোখে পড়ে একজন মিডিয়াকর্মীর নজড়ে। সেখানে দেখা যায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির একজন সদস্য নিজ ঘরের ইট ধুয়ে পাশে সারি সারি করে রেখেছেন। হয়তো আমরা অনেক সময় ভেবে থাকি লোকটি তো অনেক মাপের তাপর কেন ইট ধুইয়ে কর্মচারীদের মতো?। এমনটি প্রশ্ন জাগে, তবে এটি হচ্ছে মুল লক্ষ এবং কাজ একটি মানুষের। আমরা আধুনিক যুগে নিজের দক্ষতাগুলো দিন দিন হারিয়ে ফেলছি। কারিগরি শিক্ষা বিনষ্ট হওয়াতে এবং কারিগরি শিক্ষাগ্রহন না করায় আমরা অলস হিসেবে পরিচিতি লাভ করছি।

মান সম্মান সবরই আছে কিন্তু নিজের কাজ নিজে করার কতজনের অভিজ্ঞতা আছে সেটি সর্ম্পকেও জানতে হবে।কারণ নিজের প্রতি যার বিশ্বাস নেই সে কখনো মানুষ হতে পারে না। সমাজের কিছু মানুষ এবং কাজকে ঘৃণার চোখে দেখি, আসলেই এদেখা আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অভিশাপ রুপ নিবে একসময়ে।

যিনি কাজ করছেন তিনিই সফল একজন মানুষ। তার বাড়ি সিলেট-৫ আসন জকিগঞ্জ-কানাইঘাট উপজেলায়। তিনি একাধিক সামাজিকসহ রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন। আবার প্রায় সময়ই দেখা যায় অসহায় মানুষের পাশে দাড়াঁতে।

লায়ন ফয়সাল আহমেদ রাজ, তিনি বর্তমান সমাজের একজন সফল মানুষ। তার চিন্তা চেতনায় কেড়েঁ নেয বঙ্গবন্ধুর স্বপ্সে দেখা সেই সোনার বাংলাকে। এই সমাজের নিজের কাজ নিজে করা কিংবা অসহায় মানুষের সেবা খুবই কম আছে, যদিও কোন ব্যক্তি ভিতরে থাকে তাও একশ্রেণীর প্রভাবশালী তা ইমেজ এবং সেই কাজগুলোকে শত্রু িকিংবা বিনষ্টের দিকের তাকায়। অথচ ভাল কাজের উৎসাহ উদ্দিপনা এই সমাজে পাওয়া যাচ্ছে না।

আবার ছবিটি দেখে কেউ মনে করতে পারেন এই কাজটি তো রিক্সা চালকরা করে বা শ্রমিকরা করে, হ্যা:- শ্রমিক ও রিক্সাচালক তারা কি সমাজের মানুষ নয়?। আমরা যারা মানুষ অনেক সময় তুচ্ছ কিংবা ঘৃণার চোখে দেখি যে- ওই ব্যক্তি ওই কাজ করেন। আসলেই এসকল কথা আর স্বভাব আমরা আজও বদলাতে পারিনি। আমরা মানুষ কে ভালবাসতে শিখতে পারিনি বরং মানুষের ক্ষতি করার জন্য প্রস্তুত থাকি।

একজন আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সদস্য হয়ে নিজের কাজ নিজে করতে পারলে আমরা কেন পারবো না?। অবশ্যই আমরা পারবো যদি দৃষ্টি বদলাতে পারি, আমাদের দৃষ্টি হলো মানুষের ক্ষতি করার তাহলে কিভাবে সুন্দর একটি সমাজকে সাজিঁয়ে রাখবো। কোন রকমের এমপি-মন্ত্রী হলে নামি দামি গাড়ি কিনে চলফেরা করছি কিন্তু একজন মানুষ অসহায় তার কথা চিন্তা করছি না। কিছু টাকা হলেই শরীরের অহংকার বেড়ে যায়, আর প্রশ্ন উঠে কাজের লোক দিয়ে কাজ করাবো।

ফয়সাল আহমেদ রাজকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনি অনেক পদ-পদবীতে থেকেও এমন ধরণের কাজ করে সুন্দর একটি দৃষ্টি স্থাপন করেছেন। আপনার কাজকর্ম দেখে আমরা বুজতে পারি যে, আসলেই আপনার ভিতরে কোন অহংকার হিংসা ঘৃণা নেই। আমরা সমাজের মানুষ আমরা দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে পারিন না। কোন রকমের ক্ষমতা কিংবা টাকা পেলে মনে হয় আমরা স্বর্গে বসবাস করছি। তখন আর ভাল কাজগুলো খারাপ চোখে পরিনত হয়।

এবিষয়ে কথা হলে ফয়সাল আহমেদ রাজ জানান, আমি একজন সাধারণ সবার সাথে মিশে আছি। অন্তরে কোন ঘৃণা অহংকার নেই। মানুষ মরণশীল, সবারই একদিন মরতে হবে। নিজের বসতঘরের কাজটি দুপুর বেলা নিজেই করেছি। অপচয় সময় নষ্ট না করে একটি সুন্দর জীবন গড়ে তোলাই আমার মুল লক্ষ। সমাজকে পরিবর্তন এর বিকল্প নেই। দেশে এক সময়ে নিজের কাজগুলো নিজেরাই করতেন সে সময় মানুষগুলো অত্যান্ত ভাল ছিল। এসকল কাজ করলে নিজের শরীর স্বাস্থ্যও ভাল থাকে। দিন দিন সমাজে অলসতা রয়েয়ে সেটা দুর করতে হবে। একটি কথাই চিন্তা করি আমরা সবাই মানুষ সকল শ্রেণী পেশার মানুষ আমাদের বন্ধ। গরিব অসহায় বলতে এদেশে কোন শব্দ নেই। সবাই এক সমাজে বসবাস করি। বঙ্গবন্ধু কিন্তু সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে ভালবাসতেন। তার সুযোগ্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তিনিও কিন্তু এদেশের মানুষ নিয়ে চিন্তা করেন। যাতে এদেশের মানুষ খেয়ে পড়ে চলতে পারেন। মাঝে মধ্যে ছবিতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রী ছোট ছোট শিশুদের বুকে জড়িয়ে রাখেন। যেমন নুসরাত হত্যার বিষয়ে বলতে গেলে- প্রধানমন্ত্রী তার পরিবারকে ডেকে এনে চাকরী দিয়েছেন এটা বিশাল একজি দৃষ্টি স্থাপন করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। তার পাশাপাশি নুসরাতের ভাইকেও চাকরী দিয়েছেন এবং নুসরাতের হত্যাকারীরা কেউ রক্ষা পায়নি এবং পাবেও না তা প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ রয়েছে। আমরা চাই এমন একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তুলতে।

আপনার সুন্দর জীবন কামনা করছি, এসকল কা্জ সবার মাঝে সৃষ্টি করবেন এবং এলাকাসহ অসহায় মানুষের পাশে থাকা কাজগুলো আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আপনি তরুণ সমাজ ও যুব সমাজের আইকন বলে নে করি। মাদক,ইভটিজিং, সন্ত্রাস দমনে এসকল কাজগুলো অগ্রণী ভুমিকা পাল করে। বর্তমান যুগে নিজের কাজ নিজের সন্তানের মাধ্যমে না করিয়ে মানুষ দিয়ে করিয়ে আর সন্তানকে পাঠায় আড্ডা খানায় এসকল মন-মানষিকতা পরিবর্তন কররতে হবে।

(আল-এম,৮মে-২০১৯ইং)

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here